দরজার ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে রাজ আর বুবলী আ*লি*ঙ্গন করছে একদম উ*ল*ঙ্গ, তখন সকাল ৮টা বাজে পুরো ডিপার্টমেন্ট ফাঁকা,
কাজে নতুন জয়েন করেছে অফিস বয়
সো*না মিঁয়া,
সো*না মিয়া দরজায় নক করলো,ঠকঠক করে, দরজায় ঠকঠক শুনে হিয়া আর রাফি ভ*য়ে চমকে যায়,
কারন ৮টার সময় কেউ কলেজে আসে না,তারাতাড়ি করে জা'মা কা'পড় পড়ে নেয়,
রাফি দরজা খোলেই দেখে একজন
লোক পান চিবুচ্ছে,,,
রাফি কিছু বলার আগে সো*না মিঁয়া বলল,আফা আপনার ব্রা* টা পড়েন আগে,ভিতরে কি টি'২০ খেলা চলল নাকি,
রাফি- আপনি?
-তার আগে আফার পেছন থেকে সো*না টা বের করেন,
রাফি- এই ফাজিল কি বলছেন এই সব,
--আমি বলছি আফার পিঠে সো*নার চেইন টা আটকে গেছে বের করতে পারছে না একটু বের করে দেন,
রাফি- সেটা সহজ করে বললেই তো হয়,তা আপনি কে?
-আমি সো*না মিয়া,
রাফি- আবার?
ভাই আমার নাম সো*না মিয়া,নতুন অফিস বয়,
রাফি- কালাম ভাই কি চলে গেছে,
S
-হুম, চলে গেছে কিন্ত এত সকালে আপনারা চাবি পা*ইলেন কই?
রাফি -আমাদের কাছে এক্স*ট্রা চাবি কালাম ভাই দিছে,আর আমি তো মাঝে মাঝে আসি,
-ও আগে থেকেই চলে তাহলে, তা ক*মিশন পামু তো ভাই,
রাফি- বাহ তুমি তো দেখি বুঝো মামা,
--হ বুঝি কিন্ত কমিশন টা বাড়াই দিবেন,
রাফি- ঠিক আছে,(হাসি দিয়ে)
--তা ভাই আপনি কোন ইয়ারের আর আফা কোন ইয়ারের,
-- আমার মাস্টার্স শেষ, আর ও ফাস্ট ইয়ারের।
--আইচ্ছা মামা আপনাদের ডাক নাম সু*ইসা*ইড কলেজ কেন,
Safwan
রাফি তখন কিছু বলল না, এই কলেজে বছরে প্রায় ১০-১২টা করে সুই*সাইড হয়,
তার মধ্যে ১ম বর্ষের স্টুডেন্ট বেশি,
সেমিনার থেকে বের হয়ে হিয়া রাফি কে বলল,তোমার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে,
এবার তো তোমার বিশ্বাস হল আমি ১০০% ভা*র্জি*ন,
রাফি - কি? বুঝলাম না,
হিয়া আবার বলল,আমাকে বিয়ে করবা কবে আমি যে ভা*র্জি*ন তার তো প্রমাণ দিলাম ব্লা*ড দেখছো তো,
রাফি হিয়া কে জারি দিয়ে বলল,কি*সের বিয়ে যে মেয়ে বিয়ের আগে দিয়ে বা*ড়ায় বিয়ের পর যে অন্য করো সাথে দিবে না তার গ্যা*রান্টি কি,
হিয়া দয়া করে এমন বলো না,আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি, তোমাকে ছা*ড়া বাঁচ*বো না,,
রাফি- তাহলে ম*রে যা,
হিয়া- দেখো যদি আমাকে বিয়ে না করো তাহলে কিন্ত আমি কলেজের সবাই কে বলে দিবো,,,
রাফি- কি বলবি, আমি ম'ধু খাইছি, তোকে দিয়ে ১৬নাম্বার হল,যা শা*লী আবার ডাকলে আসবি,,
হিয়া- তোর মতো কু*ত্তার কাছে কোন দিন না,,তুই আমার জীবন টা ন*স্ট করে দিলি,তুই খারা*প,
রাফি- কু*ত্তার কি দেখলি তার চাইতে বড় কিছু,চুপ*চাপ যা বলছি মেনে যা,,,
হিয়া- কি করবি তুই?
রাফি - কি করবো দেখবি,তখন রাফি মোবাইল টা বের করে হিয়া কে দেখায় এই যে ১১মিনিটের ভি*ডিও টা ভাই*রাল করে দিবো তারপর বুঝবি,
হিয়া রাফির অনেক হাতে পায়ে ধরলো যাতে ভি*ডিও টা ডি'লিট করে দেয় আর সে পা*প কাজ করতে চায় না,
কিন্ত রাফি হিয়া কে বার বার বলছে যদি সে তার ডাকে সারা না দেয় তাহলে ভি*ডিও টা সবার মোবাইলে মোবাইলে ঘুরবে,
আস্তে আস্তে সময় যত হচ্ছে স্টুডেন্টও চলে আসছে,
৩য় বর্ষের আজ প্রথম ক্লাস, আজ নাকি নতুন স্যার আসছে মানে নতুন টিচার নাম নীল মাহমুদ,
নাম টা শুনে অনেক ছাত্রী নামের উপর ক্রা*শ খেয়ে বসে আছে,
ডিপার্টমেন্ট এর মামা এসে বলে গেলেন ক্লাস শেষে কেউ যেনো না যায় নতুন স্যার আসছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে,
সে আশায় মাইশার আর তর সইছে না,কারন এই কলেজে তার মনের মতো একটা ছেলেও নাই,
মাইশা দাঁড়িয়ে সবাই কে বলল, এই সবাই একটা শুন নীল স্যার শুধু আমার কেউ নজর দিবি না,সবাই স্যারের নজরে তাকাবি কেউ অন্য নজরে তাকাবি না।
উনি শুধু আমার বুঝলি,
রিয়া বলে উঠলো যদি দেখতে সেফুদা হয় তখন কি করবি,
মাইসা তা কখনো হতেই পারে না,
যার নাম এত সুন্দর না জানি সে দেখতে কত সুন্দর নাম টা শুনলেই কেমন জানি লাগে,
কিছুক্ষণ পর ডিপার্টমেন্টের হেড আসে তার পিছনে একজন লোক মনে হয় নতুন অফিস বয়,
চেয়ারম্যান স্যার আবদুল আজিজ, উনি বলল আমাদের একজন স্যারের দরকার ছিলো, অবশেষে আমরা পেয়ে গেলাম বিসিএস ক্যাডার,
মাইসা রিয়া কে বলছে, এত কথার কি দরকার স্যার আসে না কেনো,
- তোমরা নিশ্চয়ই নাম শুনেছো
সবাই উত্তর দিলো জ্বি স্যার,
তাহলে আর সময় ন*ষ্ট করে লাভ কি নতুন স্যার ক্লাস নিক,নীল স্যার সামনে আসেন, সবাই দরজার দিকে তাকিয়ে আছে আর বলছে আসছে না কেনো,
এদিকে চেয়ারম্যান স্যারের পিছন থেকে লোক টি এসে সবার সামনে দাঁড়ায়,
কিন্ত সবাই কে দরজার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে স্যার বলেন ও দিকে কি নীল স্যার তো তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,
সবাই তো রীতিমতো টা*সকি খাইলো সব চেয়ে বেশি খাইলো মাইসা,
মাইশা পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখলো, আলিফ-লায়লার জ্বি*ন এর মতো একটা প্যান্ট পড়ছে একটা জো*কারের মতো চেক শার্ট সামনের দাঁত দুটো হাতির দাঁতের মতো বড় বড়,
মাথায় স'রিষার তেল দিয়ে সিঁথি করে আসছে আর এখনো তেল বেয়ে পড়ছে কপাল দিয়ে,আর চোখে ইয়া মোটা চশমা, মাইসা এই সব দেখে তো ক্লাস রুমেই অ'জ্ঞান,
২দিন পর নীল স্যার ক্লাস নিচ্ছে এমন
সময় নাইম আর রনি ফোনে কিছু একটা দেখছে খুব মনোযোগ সহকারে,
নীল স্যার গিয়ে ধম*ক দেয় আর ভ*য়ে ফোন টা দিয়ে দেয় স্যারের হাতে,
স্যার দেখে প*র্নো ভি*ডিও কিন্ত রুম দেখে মনে হল এই ক্লাস রুম,
তাই স্যার জিজ্ঞেস করে মেয়ে টা কে কিন্ত ছেলের মুখ টা ব্ল্যার করা,
নীল স্যার ডিটেইলস জানে রনি আর নাইমের কাছ থেকে,,,,
রাফি ক্যাম্পাসে বসে ছিলো, হিয়া গিয়ে
রাফি কে বলল, কাজ টা তুই ঠিক করলি না,এর জন্য তুই ঠিকি শা*স্তি পাবি।বলে চলে গেলো হিয়া,
পরেরদিন সকাল বেলা খবর আসলো হিয়া আর নেই সুই*সাই*ড করেছে,
বেলা তখন ১১টা বাজে চেয়ারম্যান স্যারের ক্লাস চলছিলো, ক্লাস চলাকালীন সবার ফোনে একটা বার্তা আসলো,ফেসবুক মেসেঞ্জারে যেহেতু ফ্রি ওয়াইফাই তাই সবার ফোনে ওয়াইফাই অন ছিলো,,,
কিন্ত মেসেজ টা হল রাফির কা*টা মা*থা আর দুই গালে লিখা ব্ল্যা*ক ভাই*রাস,,,,,,
.
(চলবে)


0 Comments